ঢাকা, ২৭ মে ২০২৫: এ্যানিমেল হেলথ কোম্পানিজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (AHCAB)-এর ২০২৫-২০২৭ মেয়াদের কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচন আগামী ৩১ মে শনিবার রাজধানীর খিলক্ষেতের ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের সেলিব্রেশন হলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। সরাসরি সদস্যদের অংশগ্রহণে নির্বাচন হওয়ায় সদস্যদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উত্তেজনা দেখা যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রচারণা চলছে জোরকদমে। এবারের নির্বাচনে দুটি পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ও একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ডা. মো. কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে ‘সমমনা প্যানেল’
প্যানেলের সদস্যরা: ডা. মো. কামরুজ্জামান (ব্যালট ১০৭), মো. মাহবুবুর রহমান (৩৪৬), ইয়াহিয়া সোহেল (০৭৭), এস. এম. জসিম উদ্দিন (১৬৫), ডা. তাফাজ্জল হোসেন (৪০২), জি এম রাবিউল আলম (৪৬৭), এ কে এম মাজহারুল ইসলাম সোহেল (৪৮৭), মো. কামরুজ্জামান বুলবুল (৫২৬), ডা. মো. তাজুল ইসলাম (২৯৫)।
ডাঃ মোঃ কামরুজ্জামানের সমমনা প্যানেলের নির্বাচনী ইশতেহার নিচে উল্লেখ করা হলোঃ
- আহকাবের সদস্যপদ, ডি.এল.এস, এবং ড্রাগ (ষ্টোর) লাইসেন্স এর সদস্য পদ নবায়নের সময় সীমা নূন্যতম ৩-৫ বৎসর করার পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আহকাবের বাৎসরিক সদস্যপদ নবায়ন ফি বর্তমানে ধার্যকৃত ফি থেকে কমিয়ে ১০,০০০ টাকায় আনা হবে।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং ডি.এল.এস. এর সাথে আলোচনা করে বর্তমান এস.আর.ও টির অধিকতর সংশোধন করা হবে। এইচ.এস. কোড গুলোর পুনর্বিন্যাস করা হবে, তাছাড়া নতুন নতুন প্রডাক্ট গুলোর ক্ষেত্রে নতুন এইচ.এস. কোড খুলে এস. আর. ও তে অন্তর্ভুক্তি করা হবে। বর্তমানে প্রাণিখাদ্যে বা ফার্মে ব্যবহৃত যে সকল প্রডাক্ট এখনও এস.আর.ও ভুক্ত হয় নাই, সেগুলোকেও অর্ন্তভুক্তি করা হবে।
- ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর কর্তৃক নতুন প্রোডাক্টের রেজিষ্ট্রেশন, রেজিষ্ট্রিকৃত প্রোডাক্ট নবায়নের সময়ক্ষেপন ও অন্যান্য অসুবিধা দূর করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।
- ডি.এল.এস. এবং ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর এর এনওসি মিটিং প্রতিমাসে নূন্যতম ২টি করানোর উদ্যোগ নেয়া হবে এবং দাখিলকৃত পি.আই এর চাহিদা মোতাবেক সর্বোচ্চ পরিমাণ পণ্য ও পণ্যের সংখ্যায় এনওসি প্রদানের জন্য জোড় পদক্ষেপ নেয়া হবে।
- ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর কর্তৃক খুচরা মূল্য নির্ধারনের অসম ও অযৌক্তিক প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে ডলারমূল্য ও অন্যান্য খরচের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ মূল্যে খুচরা মূল্য নির্ধারনের প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হবে।
- ভেটেরিনারি সেক্টরের অধিকার ও মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘ভেটেরিনারি ঔষধ অধ্যাদেশ ২০২৫’ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে কার্যকর ও বাস্তবায়ন করার পদক্ষেপ নেয়া হবে।
- কাষ্টমস এর Assesment কমিটি কর্তৃক অযৌক্তিক মূল্য নির্ধারণ করে যেভাবে AIT সহ অন্যান্য ডিউটি তথা HS কোড পরিবর্তন করে অযৌক্তিকভাবে আমদানীকারককে হয়রানি করা, জরিমানা আরোপ করা সহ নানান ধরনের সমস্যা সমাধান করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
- সাধারণ সদস্যগণের ব্যবসা পরিচালনায় উদ্ভুত যে কোন সমস্যা/বিরোধ/দেনা-পাওনা নিষ্পত্তিতে সহযোগিতা করার জন্য “বিশেষ বিরোধ নিষ্পত্তিকরন কমিটি” গঠন করা হবে। উক্ত কমিটি সকল সমস্যা দূরীকরণে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবেন।
- সাধারণ সদস্যগণের আমদানী ও পণ্য খালাসে সহযোগিতা প্রদানের জন্য দক্ষ ও অভিজ্ঞ সদস্যগণ দ্বারা বিশেষ সহযোগিতা সেল গঠন করা হবে। উক্ত সেলে সংশ্লিষ্ট বন্দর নগরীতে বসবাসরত সদস্যগণকে ও অর্ন্তভুক্ত করা হবে।
- এইচ. এস. কোড অনুযায়ী এনওসি প্রাপ্ত পণ্য আমাদানি করার পরেও কাষ্টমস হয়রানি বন্ধ করার জন্য ডি.এল.এস, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর এবং রাজস্ব বোর্ড এর সাথে সংযোগ স্থাপন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
- আহকাব সদস্যগণকে আহকাব অফিসে সব সময় যথাযোগ্য মর্যাদায় বরন করে সুন্দর আথিতেয়তা দেয়া হবে।
- আহকাব অফিসকে আরও বড় পরিসরে সাজানো হবে, যেখানে সকল সাধারণ সদস্যগণ যেকোন ধরনের মিটিং এর জন্য অফিসটি নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন। তাছাড়া আহকাবের নিজস্ব একটি ক্যাফটেরিয়ার ব্যবস্থা করা হবে, যেখানে নির্দিষ্ট মূল্য পরিশোধ করিয়া খাদ্য সামগ্রী ভক্ষন করতে পারবেন এবং নিজস্ব আবাসন ব্যবস্থা থাকবে, যেখানে সদস্যগণ রাত্রী যাপন করিয়া প্রয়োজনীয় কাজ সম্পূর্ণ করিতে পারবেন।
- আহকাবের যে সকল সম্মানীত সদস্যদের সদস্যপদ নবায়নকৃত থাকবে তাদের সকলকেই ভোটার হিসেবে অর্ন্তভুক্ত করা হবে। লিমিটেড বা পার্টনারশীপ কোম্পানীর ক্ষেত্রে কে ভোট প্রদান করবেন? সেক্ষেত্রে আহকাবের নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে শুধুমাত্র উক্ত প্রতিনিধির নাম লিখিত আকারে চাওয়া হবে।
- সাধারণ সদস্যগণের ব্যবসায়িক জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন স্টেক হোল্ডার এবং অভিজ্ঞজনদের নিয়ে নিয়মিত কর্মশালার আয়োজন করা হবে। কর্মশালা দেশের সকল বিভাগে করা হবে।
- আহকাব সদস্যভুক্ত পরিবারের কৃতি সন্তানদের বৃত্তি প্রদান করা হবে এবং ওয়েলফেয়ার ফান্ড, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ফান্ড গঠন করা হবে, যা কার্যকরী কমিটির অধীনে আহকাবের সদস্যদের বিশেষ প্রয়োজন মুহূর্তে ব্যবহার করা হবে। তাছাড়াও সাধারণ সদস্যদের নিয়ে নিয়মিতভাবে গেইট-টুগেদার প্রোগ্রাম করা হবে। যেমন- পিকনিক, ইফতার পার্টি, ফ্যামিলি ডে ইত্যাদি।
- অনিয়মিত (ঝড়ে পড়া) সদস্যগণের সমস্যা সমাধানের যৌথ প্রচেষ্টা গ্রহণ করে ব্যবসায় নিয়মিত করার সকল উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
- সাধারণ সদস্যগণের অভিযোগ ও পরামর্শ গ্রহণের জন্য একটি সুনিদ্দিষ্ট বক্স/ মেইল আইডি থাকবে এবং তা সমাধান / বাস্তবায়নের জন্য বিশেষ সেল গঠন করা হবে। যেখানে অভিজ্ঞ সদস্যগণ সাব কমিটিতে থাকবেন।
- নতুন আমদানী নীতিতে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেশনের শর্ত ও এ সেক্টরের উন্নয়নের প্রতিবন্ধক শর্তসমূহ বাতিল ও সহজীকরনের ব্যবস্থা নেয়া হবে।
- পোল্ট্রি মিল, ফিস মিল, মিট এন্ড বোন মিল, ফারমেন্টেড সয়াবিন মিল, সিজিএম, ডি.ডি.জি.এস, ভেজিটেবল ফ্যাট সহ অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় কাঁচামাল আমদানীর ক্ষেত্রে উদ্ভুত জটিলতা দূর করার বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
- যেকোন প্রদর্শনী বা অনুষ্ঠানের তহবিল গঠনের ক্ষেত্রে সাধারণ সদস্যদের সাথে অনলাইন অথবা অফলাইনে মিটিং করে কোরাম পূর্ণ হলেই সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হবে। আহকাব কর্তৃক আন্তর্জাতিক যে মেলাটি করা হয় সেটি সবার সাথে আলোচনা করে আন্তর্জাতিক সর্বোচ্চ মানে উন্নতি করা হবে।
- এ সেক্টরের অবৈধ ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে তাদেরকে বৈধ ব্যবসা করার জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হবে এবং যারা বৈধ ব্যবসা করতে চাইবে না তাদেরকে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার উদ্যোগ গ্রহন করা হবে।
- এ সেক্টেরের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল এসোসিয়েশন, ইনস্টিটিউট, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, সরকারি দপ্তর, অধিদপ্তর, বিশ্ববিদ্যালয় সহ সকলকে নিয়ে বাংলাদেশের প্রাণি সম্পদ উন্নয়ন ও স্বয়ং সম্পূর্ণতা অর্জনে একসাথে কাজ করা হবে।
- সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সাথে যৌথভাবে অথবা আহকাব এককভাবে ল্যাব প্রতিষ্ঠা করে সাধারণ সদস্যগণের বন্দরের পণ্য পরীক্ষা বিষয়ক প্রতিবন্ধকতা দূর করা হবে। তবে টেস্ট ব্যতিরেকে পণ্য খালাসের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
- আহকাবের গৌরব পুনরুদ্ধার করে আহকাবকে একটি মর্যাদাশীল ও গ্রহণযোগ্য সংগঠনে পরিণত করার সকল প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। সরকারী/ বেসরকারী সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের সাথে সন্ধিস্থাপনের মাধ্যমে সাধারণ সদস্যগণের অধিকার এবং মর্যাদা সু-প্রতিষ্ঠিত করা হবে।
- আহকাবের নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও বেশী স্বচছু করার জন্য স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। যেখানে আহকাবের কোন মেম্বার, অফিস কর্মকর্তা নির্বাচন প্রক্রিয়ার সাথে সংযুক্ত থাকতে পারবে না।
সায়েম উল হকের নেতৃত্বাধীন ‘আহকাব আলফা প্যানেল’
প্যানেলের সদস্যরা: সায়েম উল হক (৩৩০), মো. আনোয়ার হোসেন (০৬৯), ডা. আবদুস সবুর (০৭৯), তারেক মাহমুদ খান (১৪৩), মোসলেহ উদ্দিন (১৪৯), সরোয়ার জাহান (২৮০), খোরশেদ আলম (৩১৪), রাশেদুল জাকির (৩১৫), মাহাবুব হাসান (৩৩১), তসলিম খান (৪১০), রকিবুল ইসলাম (৪১৩), ডা. মাহমুদ হোসেন (৪২৩), ফয়জুর রহমান (৫২২), ডা. মোজাম্মেল হক খান (৫২৫), তারেক সরকার (৫৪৩)।
এনিমেল হেলথ কোম্পানীজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আহকাব) ২০২৫-২০২৭ সালের কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে আহকাব আলফা টিম ‘অগ্রগামী চিন্তা, প্রমাণিত নেতৃত্ব’ স্লোগানকে সামনে রেখে নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করেছে। নিচে তা উল্লেখ করা হলোঃ
- ভেটেরিনারি ড্রাগস অর্ডিন্যান্স চূড়ান্ত করা (চলমান)।
- মৎস্য ও পশুখাদ্য আইন ২০১০ হালনাগাদ করা (চলমান)।
- সদস্যদের সমস্যার তালিকা তৈরি ও পরিকল্পিত সমাধান (চলমান)।
- আমদানি নীতিতে অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা (GMO, Radioactivity ইত্যাদি) বাতিল করা (চলমান)।
- ওয়েবসাইট হালনাগাদ ও সদস্যদের জন্য রিসোর্স ডেটাবেস তৈরি এবং আহকাব অফিসে একটি গবেষণা সেল প্রতিষ্ঠা করা।
- DGDA এর স্ট্যান্ডিং কমিটিতে আহকাবের প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে নিশ্চিত করণে উদ্যোগ নেওয়া যা হয়ে গেলে আহকাব সদস্যদের ভেটেরিনারি ড্রাগস এর রেজিস্ট্রেশন, নবায়ন, এমআরপি আপডেট ও ইনডেন্ট অনুমোদনে অত্যন্ত সহায়ক হবে।
- সদস্যদের পরামর্শ ও সহায়তার জন্য একটি Help Desk গঠন করা।
- সাধারণ সদস্যদের জন্য একটি Executive Lounge যেখানে আলোচনা, মতবিনিময় ও রিফ্রেশমেন্টের ব্যবস্থা থাকবে।
- চট্টগ্রাম, যশোর, উত্তরবঙ্গ ও ময়মনসিংহে আঞ্চলিক সাব-কমিটি গঠন।
- সদস্যদের আচরণবিধি তৈরি এবং অসদুপায় অবলম্বনকারীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ।
এছাড়াও আহকাব আলফা প্যানেলের বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৩-২০২৫) যা করেছে তার উল্লেখযোগ্য কিছু কার্যক্রম সম্প্রতি তাঁরা প্রকাশ করেছে। তা এখানে তুলে ধরা হলোঃ
- কার্যনির্বাহী কমিটির (২০২১-২০২৩) এর সঙ্গে যৌথ মিটিং এর মাধ্যমে কাজের ধারাবাহিকতা ধরে রাখা।
- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এর সাথে সম্পৃক্ত সংগঠন, বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি সংস্থার (যেমন FIAB, BAFIITA, ΒΑΒ, ΒΡΙΑ, ΒAPCA, DLS, MOFL, MOC, NBR, DGDA, CUSTOMS, BVA, BAHA, CVASU, BAU, SAU ইত্যাদি) সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে আহকাবের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি ও সদস্যদের ব্যবসা সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করা।
- Bangladesh Trade Facilitation Project (BTF) এর সঙ্গে অংশীদারিত্ব চুক্তি (MOU) সম্পাদন, যার আলোকে-
ক. আহকাব সদস্যদের নিয়ে ঢাকা ও চট্টগ্রামে HS Code ও NOC বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত।
খ. আহকাব সদস্যদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে ব্যবসা সংক্রান্ত সমস্যাবলীর তালিকা তৈরি।
গ. DLS Online e-Trade Portal ব্যবস্থার প্রবর্তন ও সদস্যদের ২ টি প্রশিক্ষণ প্রদান।
ঘ. DLS Online e-Trade Portal এর মাধ্যমে NOC ও ক্যাটাগরি-২ নতুন লাইসেন্স/নবায়ন ব্যবস্থার প্রবর্তন।
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আমদানি নীতিতে অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা (Antibiotics, GMO, Radioactivity ইত্যাদি) বাতিলের পক্ষে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা প্রদান। এরই মধ্যে অপ্রয়োজনীয় Antibiotics পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে।
- নতুন ড্রাগস ও কসমেটিক আইন ২০২৩ এর আওতায় সাপ্লিমেন্ট বিষয়ক সংজ্ঞা নিরূপণের ওয়ার্কিং কমিটিতে আহকাব এর প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্তি এবং যার ফলে ফিড সাপ্লিমেন্টকে DGDA এর পরিবর্তে DLS এর আওতাধীন রাখা সম্ভব হয়েছে।
- CUSTOMS, NBR, DGDA তে সমস্যা সমাধানে সদস্যদের সক্রিয় সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
- আমদানি বিষয়ক HS Code এর জটিলতা নিরসনে NBR এ একাধিক আলোচনা হয়েছে যার প্রেক্ষিতে আগামী বাজেটে এর প্রতিফলন পাওয়া যেতে পারে।
- প্রথমবারের মতো সফলভাবে সর্বজনগ্রাহ্য AHCAB Family Night সম্পন্ন হয়েছে।
- DGDA তে আমদানি নিয়ন্ত্রক সংক্রান্ত স্ট্যান্ডিং কমিটিতে আহকাবের প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি MOFL হয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন।
- সফল ৫ম AHCAB প্রদর্শনী; ৬ষ্ঠ প্রদর্শনীর ৬০% স্টল বিক্রয় ইতিমধ্যে সম্পন্ন।
নির্বাচনে একটি ভিন্নমাত্রা যোগ করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. এইচ এম নাজমুল হক (৫৩৭)। তিনি নিজেকে নিরপেক্ষ ও জনগণের কল্যাণে নিবেদিত এক নেতৃত্ব হিসেবে তুলে ধরছেন এবং সে প্রতিশ্রুতি সামনে রেখেই প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
নির্বাচন প্রতিটি সংগঠনের জন্যই একটি গঠনমূলক পরিবর্তনের সুযোগ এবং সদস্যদের আশা-আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলনের মঞ্চ। এ্যানিমেল হেলথ কোম্পানিজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (AHCAB)-এর ২০২৫-২০২৭ মেয়াদের কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনও এর ব্যতিক্রম নয়। দীর্ঘ সময় পর সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নির্বাচনের আয়োজন, সদস্যদের অংশগ্রহণ, আগ্রহ এবং দুই প্রধান প্যানেলের গতিশীল নির্বাচনী প্রচারণা—সব মিলিয়ে এটি একটি প্রাণবন্ত ও গণতান্ত্রিক পরিবেশের প্রতিফলন।
ডা. মো. কামরুজ্জামানের ‘সমমনা প্যানেল’ এবং সায়েম উল হকের নেতৃত্বাধীন ‘আহকাব আলফা প্যানেল’—উভয় পক্ষই সংগঠনের স্বচ্ছতা, দক্ষতা, সদস্যসেবা ও জাতীয় পর্যায়ে প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। নির্বাচনী ইশতেহারগুলোতে বাস্তবভিত্তিক সমস্যা চিহ্নিত করে তার সমাধানে সুসংগঠিত পরিকল্পনার ছাপ পাওয়া যায়, যা সদস্যদের আস্থার জায়গা তৈরি করেছে।
এই নির্বাচন শুধু নেতৃত্ব নির্বাচনের একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং AHCAB-এর ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের দিক নির্দেশনা নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। একটি গ্রহণযোগ্য, ঐক্যবদ্ধ ও কর্মমুখী কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃত্বে এই সংগঠন জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন সকলে।
শেষ কথা, যেই প্যানেলই নির্বাচিত হোক না কেন, প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন, সদস্যদের স্বার্থরক্ষা এবং একটি উদার, গণতান্ত্রিক ও অংশগ্রহণমূলক AHCAB গড়ে তোলাই যেন সকলের মূল লক্ষ্য হয়। শুভ হোক ৩১ মে-এর নির্বাচন, সফল হোক AHCAB-এর আগামী পথচলা।
|