মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে এখনও আন্তঃবৈষম্য বিরাজমান। এর প্রভাব প্রান্তিক কৃষক, ছোট খামারি ও জেলেদের ওপর পড়ছে। তিনি বলেন, “এই বৈষম্য দূর করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। দুই মন্ত্রণালয়ের সমন্বয় ঘটলে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে।”
বৃহস্পতিবার (১২ জুন) পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, “দেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাছ, দুধ, ডিম ও মাংস উৎপাদনে প্রান্তিক পর্যায়ের খামারি ও জেলেদের সহায়তা বাড়াতে হবে। সরকার সে লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করছে।” পরিদর্শন শেষে উপদেষ্টা ফরিদা আখতার ঈশ্বরদীর বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএসআরআই)-এ আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। সেখানে তিনি বলেন, “লবণ, সাদা চিনি ও পালিশ করা ধবধবে সাদা চাল—এই তিনটি মানবদেহের জন্য বিষ। এসব এড়িয়ে ঢেঁকি ছাঁটা চাল, সীমিত লবণ এবং লাল চিনি ব্যবহার করতে হবে।” তিনি জানান, বন্ধ হয়ে যাওয়া চিনিকলগুলো পুনরায় চালু করে লাল চিনির উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অচিরেই পাবনা চিনিকলসহ আরও ছয়টি চিনিকল চালু করা হবে বলে জানান উপদেষ্টা। বিএসআরআই মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক ড. কবির উদ্দিন আহমেদ। উপস্থিত ছিলেন প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এ কে এম রাশেদুল ইসলাম, ড. মনির হোসেন মিতুল ও রাষ্ট্রীয় স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত কৃষক সাজাহান আলী প্রমুখ। এর আগে মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পাবনা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা দীপক কুমার পাল। বক্তব্য রাখেন ঈশ্বরদী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহাদাত হোসেন খান, জেলা মৎস্য খামার ব্যবস্থাপক ড. মোনাশিষ চৌধুরী, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুর রহমান খান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আকলিমা খাতুন এবং উপজেলা মৎস্য খামার ব্যবস্থাপক রেজাউল ইসলাম। |
কৃষি ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে বৈষম্য রয়ে গেছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ
