কোরবানির হাট জমে উঠেছে, ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদা তুঙ্গে

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে দেশের কোরবানির হাটগুলোতে জমে উঠেছে কেনাবেচা। হাট ঘুরে দেখা গেছে, এ বছর ক্রেতাদের মধ্যে ছোট ও মাঝারি আকৃতির গরুর প্রতি আগ্রহ তুলনামূলকভাবে বেশি। বড় আকারের গরু থাকলেও, বেশিরভাগ ক্রেতাই খুঁজছেন মাঝারি ধরনের পশু।

রাজধানীর গাবতলী, শ্যামপুর, এবং সায়েদাবাদ হাটসহ বিভিন্ন জায়গায় ছোট ও মাঝারি গরু কিনতে আসা মানুষের ভিড় বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। হাটে প্রবেশের পর থেকেই অনেক ক্রেতা সরাসরি ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর খোঁজ করছেন। বিক্রেতারাও জানাচ্ছেন, এই ধরনের গরু তুলতেই তাদের বারবার ডাকা হচ্ছে, এবং একাধিক ক্রেতা একই পশু দেখছেন।

একাধিক খামারির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা এ বছর হাটে ছোট ও মাঝারি আকারের গরু বেশি নিয়ে এসেছেন, কারণ গত কয়েক বছর ধরে এই ধরনের গরুর চাহিদা বাড়ছে। অনেক বিক্রেতা জানিয়েছেন, বড় গরু বিক্রি অপেক্ষায় থাকলেও মাঝারি গরু তুলেই বিক্রি হয়ে যাচ্ছে।

হাটে দেখা যায়, একটি মাঝারি আকৃতির গরুর চারপাশে ক্রেতাদের জমায়েত হচ্ছে বেশি। অনেকে আবার নিজের পছন্দের গরু দেখে আগাম বুকিং দিচ্ছেন। ছোট আকৃতির গরুর ক্ষেত্রেও একই চিত্র লক্ষ্য করা যায়। গরুর স্বাস্থ্য, গঠনের সৌন্দর্য ও দেখতে ভালো হওয়াই এখন অনেকের কাছে মূল বিবেচ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতেও ছোট ও মাঝারি গরুর বিজ্ঞাপন বেশি চোখে পড়ছে। এইসব প্ল্যাটফর্মে যেসব গরু বিক্রি হচ্ছে, তার বেশিরভাগই ছোট বা মাঝারি আকারের বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সর্বোপরি, ঈদুল আজহার কোরবানির হাটে এবার ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদা যে চোখে পড়ার মতো বেড়েছে, তা হাটে গেলে স্পষ্টভাবে বোঝা যায়। বিক্রেতা ও খামারিরাও বলছেন, এই চাহিদা আগামীতে আরও বাড়তে পারে।