খুলনায় সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার দখলের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ফিশারিজ এক্সিকিউটিভ অ্যাসোসিয়েশন (বিএফইএ)। পাশাপাশি আরও নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিসিএস (মৎস্য) ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশন।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমানার মধ্যে অবস্থিত ‘খুলনা মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার’ দখল করে ‘শহীদ মীর মুগ্ধ হল’ নামে আবাসিক হল ঘোষণার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে। গত রোববার শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিনের দাবি আদায়ের অংশ হিসেবে খামারের কার্যালয়ের নামফলকের ওপর নতুন ব্যানার টাঙিয়ে দেয়। বুধবার ১৩ আগস্ট বাংলাদেশ ফিশারীজ এক্সিকিউটিভ এসোসিয়েশন (বিএফইএ) -এর আহ্বায়ক মো. কামরুজ্জামান শাহ্ স্বপন ও সদস্য সচিব মো. রাশেদুজ্জামান দিপু অনাকাঙ্ক্ষিত এই জবরদখলের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তাঁদের স্বাক্ষরিত এক প্রতিবাদ লিপিতে তাঁরা উল্লেখ করেন, “১০ আগস্ট খুলনার সরকারি ‘মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার’ বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী জোরপূর্বক দখল করে ‘শহীদ মীর মুগ্ধ হল’ ঘোষণা দেয় এবং কর্মকর্তাদের বের করে দেয়। এ ঘটনায় বিএফইএ গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছে। সংগঠনটি মনে করে, এ ধরনের জবরদখল দেশের দক্ষিণাঞ্চলের মৎস্য শিল্পের কার্যক্রমে মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করেছে এবং আইন ভঙ্গের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ক্ষুণ্ন করেছে। বিএফইএ দাবি করে, আইন মেনে, অবৈধ দখলমুক্ত করে মৎস্য সম্পদ উন্নয়নে অবদান রাখতে হবে।“ একই ঘটনায় আলাদা বিবৃতিতে বিসিএস (মৎস্য) ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক ড. মো. খালেদ কনক এবং সদস্য সচিব মো. মশিউর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রতিবাদ লিপিতে গভীর উদ্বেগ জানিয়ে এ ঘটনাকে ‘আইনবহির্ভূত ও জবরদখলমূলক’ বলে উল্লেখ করা হয়। দুটি সংগঠনই অবিলম্বে অবৈধ দখলদার ও উসকানিদাতাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং খামার দখলমুক্ত করে স্বাভাবিক কার্যক্রম পুনরায় চালুর দাবি জানিয়েছে। বাংলাদেশ ফিশারীজ এক্সিকিউটিভ এসোসিয়েশন (বিএফইএ) -এর প্রতিবাদ লিপি পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুনঃ |
