| রংপুরের পীরগাছায় হঠাৎ করেই গবাদি পশুর মধ্যে বিরল রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। উপজেলায় একের পর এক গরু-ছাগল তীব্র জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে। এতে স্থানীয় খামারিদের মধ্যে অ্যানথ্রাক্স আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে জানা যায়, উপজেলার সদর, তাম্বুলপুর, ছাওলা, পারুল ও ইটাকুমারী ইউনিয়নের প্রায় এক ডজন গ্রামে গবাদি পশু অসুস্থ হয়ে পড়ছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হচ্ছে সদর, ছাওলা ও তাম্বুলপুর ইউনিয়নে। স্থানীয় খামারি জহরা বেগম জানান, কয়েক দিনের ব্যবধানে তার তিনটি গরু ও তিনটি ছাগল মারা গেছে। একইভাবে মমেনা বেগম নামের আরেক খামারি জানান, তার সবগুলো গরু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিল। পশু চিকিৎসকের পরামর্শে চিকিৎসা করলেও কয়েকটি গরু মারা গেছে। উপজেলার খামারি আজিজুল ইসলাম বলেন, “আমাদের গ্রামের অনেকেই গরু-ছাগল পালন করেন। যদি অ্যানথ্রাক্স হয়ে থাকে, তাহলে বড় ক্ষতি হবে। দ্রুত ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে হবে।” পীরগাছা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. একরামুল হক মণ্ডল বলেন, “গত চার মাস ধরে ভ্যাকসিন ছিল না। এর ফলে পশুগুলোকে টিকা দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে গত মঙ্গলবার ভ্যাকসিন এসেছে এবং প্রয়োগ শুরু হয়েছে।” চিকিৎসকরা বলছেন, অ্যানথ্রাক্স মানুষসহ গরু, ছাগল, মহিষসহ গবাদি পশুর মধ্যে দেখা দেয়। অসুস্থ পশুর সঠিক পরিচর্যা ও সময়মতো টিকা প্রদান করলে এ রোগ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। |







