শেকৃবিতে ‘সাউরেস পাবলিকেশন অ্যাওয়ার্ড-২০২৪’ অনুষ্ঠিত

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেম (সাউরেস)-এর উদ্যোগে আজ ৩০ জুন ২০২৬ শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি ভবনের ৬ষ্ঠ তলায় অবস্থিত কনফারেন্স রুমে জমকালো আয়োজনে ‘সাউরেস পাবলিকেশন অ্যাওয়ার্ড-২০২৪’ প্রদান করা হয়। গবেষণা ও প্রকাশনার উৎকর্ষকে স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত এ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এ.টি.এম. সামছুদ্দোহা পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন। পরে স্বাগত বক্তব্য দেন সাউরেস-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. এফ. এম. আমিনুজ্জামান।

‘সাউরেস পাবলিকেশন অ্যাওয়ার্ড-২০২৪’-এর জন্য মোট ২৯ জন শিক্ষক তাঁদের গবেষণা প্রকাশনা জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে এ বছর ৫ জন শিক্ষককে ‘সাউরেস পাবলিকেশন অ্যাওয়ার্ড-২০২৪’ প্রদান করা হয়। পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মাসুম, অধ্যাপক ড. জামিলুর রহমান, ড. মোহাম্মদ শাহজাহান, মোঃ হায়দার খান সুজন এবং ড. মোঃ ওয়াদুদ আহমেদ।

সাউরেস এর উদ্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ আক্কাচ আলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ বেলাল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মুহাম্মদ আবুল বাশার এবং পোষ্ট গ্রাজুয়েট স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এম. সালাউদ্দীন মাহমুদ চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল লতিফ। সমাপনী বক্তব্যে তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকই মানসম্পন্ন গবেষক। তাঁদের গবেষণার সুনাম শুধু বাংলাদেশেই নয়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও ছড়িয়ে পড়েছে। এর প্রমাণ হিসেবে Research.com-এর সর্বশেষ র‍্যাঙ্কিংয়ে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় দেশের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে।” তিনি আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে এবং আন্তর্জাতিক মানের জার্নালে অধিক সংখ্যক গবেষণাপত্র প্রকাশে শিক্ষকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আমি প্রত্যাশা করি।”

বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি ও বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণার মানোন্নয়নে সাউরেস-এর এ উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এ ধরনের স্বীকৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকদের মানসম্পন্ন মৌলিক গবেষণায় আরও উৎসাহিত করবে। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, গবেষক এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।