দি বাংলাদেশ ফিশারীজ কাউন্সিল গঠনে গঠনতন্ত্র পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বিএসসি ফিশারীজ গ্রাজুয়েটদের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবী “ফিশারীজ কাউন্সিল” বাস্তব রূপ পেতে যাচ্ছে। এ দাবির সূচনা হয় ২০২৩ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ ফিশারীজ এক্সিকিউটিভ এসোসিয়েশন (বিএফইএ)-এর সফল আন্দোলনের মধ্য দিয়ে।

বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে কাউন্সিলের গঠনতন্ত্র পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারীজ ফ্যাকাল্টির ডীন মো: রফিকুল ইসলাম সরদার এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: আবদুর রউফ।

সভায় দেশের ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারীজ অনুষদের ডীন, মৎস্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং বাংলাদেশ ফিশারীজ এক্সিকিউটিভ এসোসিয়েশনের সদস্য সচিব উপস্থিত ছিলেন। অংশগ্রহণকারীরা নিজ নিজ দৃষ্টিকোণ থেকে গঠনতন্ত্রের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতামত প্রদান করেন। আলোচনার পর সর্বসম্মতিক্রমে কাউন্সিলের নাম চূড়ান্ত করা হয় “দি বাংলাদেশ ফিশারীজ কাউন্সিল”। যদিও একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডীন নাম নিয়ে আপত্তি তুলেছিলেন, তবুও সকলের সম্মতিতেই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, চার বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ফিশারীজ ডিগ্রিধারীরা পরীক্ষার মাধ্যমে নিবন্ধন করে কাউন্সিলের সদস্য হতে পারবেন। তবে প্রেসক্রিপশন প্রদানের ক্ষেত্রে একমাত্র বিএসসি ফিশারীজ গ্রাজুয়েটদেরকেই এ দায়িত্ব পালন করতে হবে।

বাংলাদেশ ফিশারীজ এক্সিকিউটিভ এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে মো: রাশেদুজ্জামান দিপু বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি ফিশারীজ কাউন্সিল গঠনের প্রয়োজনীয়তা ও এর মাধ্যমে সেক্টরের সার্বিক উন্নয়নের সম্ভাবনা তুলে ধরেন।

সভায় জানানো হয়, দ্রুততম সময়ে গঠনতন্ত্র চূড়ান্ত করে তা মাননীয় উপদেষ্টা মহোদয়ের নিকট পেশ করা হবে। উপদেষ্টা মহোদয়ও আশ্বাস দিয়েছেন আগামী ফেব্রুয়ারির পূর্বেই “দি বাংলাদেশ ফিশারীজ কাউন্সিল” গঠনের কাজ সম্পন্ন করা হবে।

পরিশেষে সভাপতি সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে গঠনতন্ত্র পর্যালোচনা সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।