নবনিযুক্ত মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানকে বাফিটা ইসি কমিটির ফুলেল শুভেচ্ছা ও সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নবনিযুক্ত মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. শাহজামান খান-কে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাতে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে বাংলাদেশ এগ্রো ফিড ইনগ্রিডিয়েন্টস ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাফিটা)-এর নির্বাহী কমিটির সদস্যরা।

সাক্ষাৎকালে বাফিটার পক্ষ থেকে নবনিযুক্ত মহাপরিচালককে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে তাঁর সফল নেতৃত্ব কামনা করা হয়। এ সময় সংগঠনের সভাপতি সুধীর চৌধুরী ও মহাসচিব মো. গিয়াস উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত একটি লিখিত পত্র মহাপরিচালকের নিকট হস্তান্তর করা হয়, যেখানে প্রাণিজ খাদ্য ও পশুপুষ্টি উপকরণ আমদানি-সংশ্লিষ্ট কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।

পত্রে বাফিটার পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কার্যকর ভূমিকার ফলে দেশের পোল্ট্রি, ফিশারিজ ও ডেইরি খাত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে এবং দেশের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণে স্বাবলম্বিতা অর্জনে অধিদপ্তর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।

এ সময় সংগঠনটির পক্ষ থেকে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কর্তৃক ক্যাটাগরি-২ লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানকে বাফিটাসহ সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হওয়া বাধ্যতামূলক করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়। বাফিটার মতে, এ ধরনের উদ্যোগ আমদানি বাণিজ্যে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করবে এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খল ও জবাবদিহিমূলক হবে।

এছাড়া লিখিত পত্রে আগাম কর (AT) সংক্রান্ত এসআরও নং-১৮১-আইন/২০২৫/৩০৯-মূসক, তারিখ ২৭ মে ২০২৫-এর “ক্রমিক নং-২৭” সংশোধনের উদ্যোগ গ্রহণেরও অনুরোধ জানানো হয়। বাফিটার দাবি, সংগঠনের সদস্যরা সরকারি সকল বিধি-বিধান অনুসরণ করে পশুপুষ্টি উপকরণ ও ভেটেরিনারি পণ্য আমদানি করলেও কিছু স্থলবন্দর ও কাস্টমস স্টেশনে পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে, যার ফলে আমদানিকারকরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

বাফিটার নেতারা আশা প্রকাশ করেন, বিষয়গুলো বিবেচনা করে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে, যা দেশের প্রাণিজ খাতের টেকসই উন্নয়ন ও ব্যবসা-বাণিজ্যের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

সাক্ষাৎ শেষে বাফিটার পক্ষ থেকে নবনিযুক্ত মহাপরিচালকের সফল কর্মজীবন ও প্রাণিসম্পদ খাতের আরও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।