পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্তে Animal Husbandry ডিগ্রি বাতিল করে B.Sc. in Veterinary Science & AH নামে কম্বাইন্ড ডিগ্রি চালুর প্রক্রিয়াকে “স্পষ্ট আদালত অবমাননা” বলে আখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ এনিমেল হাজবেন্ড্রী অ্যাসোসিয়েশন (BAHA)। সংগঠনটির অভিযোগ, ফ্যাকাল্টি গঠনের সময় উচ্চ আদালতের রায় উপেক্ষা করা হয়েছে, যা আইনের শাসনের পরিপন্থী।
সংগঠনটি আরও জানায়, গত ২৯ জুন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে চাকরির ক্ষেত্রে কম্বাইন্ড ডিগ্রিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বক্তব্য এনিমেল হাজবেন্ড্রি শিক্ষা ও পেশার অস্তিত্বকেই হুমকির মুখে ফেলেছে। অথচ অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে ৬০ বছরের অধিক সময় ধরে এনিমেল হাজবেন্ড্রি গ্রাজুয়েটগণ দেশের প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
এ প্রেক্ষাপটে আজ এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করে বাংলাদেশ এনিমেল হাজবেন্ড্রী অ্যাসোসিয়েশন (BAHA)। সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ বলেন, এনিমেল হাজবেন্ড্রি শিক্ষা ও পেশার স্বতন্ত্রতা রক্ষা করা জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে জড়িত। আদালতের রায় অমান্য করে ডিগ্রি বাতিল ও কম্বাইন্ড ডিগ্রি চালুর যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা দ্রুত প্রত্যাহার করা জরুরি।
অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে মহাসচিব মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম খান ( ডন ) সাংবাদিকদের উদ্দেশে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান।
লিখিত বক্তব্যে যা ছিলো,
আদালতের নির্দেশ অমান্য করে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে Animal Husbandry ডিগ্রী বিলুপ্তি ও চাকুররির ক্ষেত্রে কমবাইন্ড ডিগ্রীকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনঃ
প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ,
বাংলাদেশ এনিমেল হাজবেন্ড্রী এসোসিয়েশন (বাহা) এর পক্ষ থেকে আপনাদের প্রীতি ও অচেনা জানাচ্ছি।
আপনারা অবগত আছেন যে, প্রায় এক মাসের অধিক সময় যাবৎ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ-এ এনিমেল হাজবেন্ড্রী ফ্যাকাল্টির কিন্তু শিক্ষার্থী তথাকথিত কমবাইন্ড ডিগ্রীর দাবিতে ক্লাস পরীক্ষা বর্জনসহ অনুষদ ভবন তালাবদ্ধ করে রেখেছে। যার সূচনা হয়েছিলো মাননীয় মৎস্য ও আণিসম্পদ উপদেষ্টার একটি বক্তবাকে কেন্দ্র করে। গত ২৯ শে জুন ২০২৫, শেরে-ই-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, চাবুর্নীতে প্রাধান্য পাবে কয়াইড ডিগ্রী নারীরা। বাংলাদেশ এনিমেল হাজবেস্ট্রী এসোসিয়েশন (বহা) এর পক্ষ থেকে উক্ত বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমরা তার এই বক্তব্যকে প্রত্যাহারের অনুরোধ জানাচ্ছি।
প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা,
সারাবিশ্বে প্রায় ১০০ টিরও দেশি দেশে Animal Husbandry/Animal Science degree চালু আছে। DVM Veterinary Science Degree চালু রয়েছে ৭০ টিরও অধিক দেশে। সেখানে B. Sc. Vet S. & AH Degree চালু রয়েছে মাত্র ১০ টির মত দেশে। দেশগুলি হলো: উগান্ডা, কেনিয়া, নাইজেরিয়া, ইথিওপিয়া, সাউথ আফ্রিকা শ্রিলংকা, নেপাল, ইন্ডিয়া, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ।
বিগত ৬০ বছরেরও অধিক সময় ধরে অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে এনিমেল হাজবেন্দ্রী ডিগ্রিধারী গ্রাজুয়েটগণ বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা বিশেষ করে প্রাণিজ আমিষের ডিম, দুধ, ও মাংস) চাহিদা পূরণে কাজ করে যাচ্ছে। সরকারি (DLS) ও বেসরকারি ক্ষেত্রে এনিমেল হাজবেন্ড্রী গ্রাজুয়েটগণ দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠান, স্বায়ত্তশাসিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানসহ প্রাইভেট সেক্টরেও দক্ষতা ও কৃতিত্বের সাথে এনিমেল হাজবেক্ষ্মী গ্রাজুয়েটগণ কাজ করে যাচ্ছেন। এতসব অবদানকে একটি বক্তব্যের মাধ্যমে অস্বীকার করা হয়েছে বলে আমরা মনে করি। দেশজুড়ে প্রাণিজ আমিষের বিপ্লব ও প্রাণিসম্পদ ইন্ডাস্ট্রির সফলভার পিছনে রয়েছে এনিমেল হাজবেন্দ্রী গ্রাজুয়েটদের মেধা ও অনুমন্ত পরিশ্রম।
মাননীয় উপদেষ্টা, মৎস্য ও প্রানিসম্পদ মন্ত্রনালয় সকলের অভিভাবক কিন্তু উক্ত বক্তব্যে হতাশ হয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এনিমেল হাজবেন্দ্রীর কতিপয় শিক্ষার্থী আন্দোলন শুরু করে যেখানে বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী মহল ক্রমাগত ইন্ধন দিয়ে যাচ্ছে। এই বক্তবোর প্রেক্ষিতে গড়ে উঠা আন্দোলনের দাবির মুখে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতি সমাধানকম্পে
একটি জমিটি গঠন করে। উক্ত কমিটি বিভিন্ন আশিজনের সঙ্গে কথা বলে একটি রিপোর্ট পেশ করেন যা গত ৩১ আগস্ট ২০২৫ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলে উখ্যাপিত হয়। এই কমিটি এনিমেল হাজবেস্ট্রীর গুরুত্ব অনুধাবন করে এটিকে স্বতন্ত্র ডিগ্রি হিসেবে রাখার পক্ষে মত দেন [উল্লেখ্য অতীতেও জাতীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে গঠিত নানা কমিটি স্বতন্ত্র ডিগ্রী হিসেবে থাকার সুপারিশ করে] এবং আন্দোলনকারীদের দাবির প্রেক্ষিতে এনিমেল হাজবেন্ড্রী ও ভেটেরিনারি অনুষদের যৌথ অংশগ্রহণে একটি কমবাইন্ড কারিকুলামে বি এস দি ভেট সায়েন্স এন্ড এএইচ ডিগ্রীর সুপারিশ করেন। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল এই স্বতন্ত্র তিনটি ডিগ্রির প্রস্তাবকে দেশীয়, বৈশ্বিক, শিক্ষা ও গবেষণার প্রেক্ষাপটে যৌক্তিক মনে করে তা স্বতাপূর্তভাবে গ্রহণ করে এবং পাশ করে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলে এনিমেল হাজবেন্দ্রী ডিগ্রী কে বিলুপ্ত করে গুধুমাত্র কমবাইন্ড চালু করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১১ সালে ইউজিসি এর অনুমোদন নিয়ে Animal Science and Veterinary Medicine অনুষদের অধীনে এনিমেল হাজবেন্দ্রী ডিগ্রী চালু করে। পরবর্তীতে বাংলাদেশ ভেটেরিনারি এসোসিয়েশন ইউজিসিকে চাপ প্রয়োগ ও প্রভাবিত করে এই ভর্তি প্রক্রিয়া স্থগিত করে। এমতবস্থায়, আইনের শরণাপন্ন হলে মহামান্য হাইকোর্ট সমস্ত কিছু বিবেচনা করে এনিমেল হাজবেন্ড্রী ডিগ্রী কে একটি গুরুত্বপূর্ণ ডিগ্রী হিসেবে বিবেচনা করে ছাত্র ভর্তি কার্যক্রম চলমান রাখতে বলেন। ২০১১ থেকে অদ্যবধি এই ডিগ্রীর গ্রাজুয়েটবৃন্দ সফলভাবে প্রাণিসম্পদ সেক্টরে কাজ করে যাচ্ছে।
দেশ বিদেশের সকল তথ্য বিশ্লেষণ করে বিচারক বৃন্দ বলেন “It transpires that there is a need of graduates in Animal Husbandry in our country.”
মহামান্য হাইকোর্টের রায়ে স্পষ্ট বলা ছিল
“In light of the fact that animal husbandry is related to animal production, breeding. care, management of dairy, poultry, processing, preservation & marketing of livestock products whereas the jobs & duties of veterinary doctors are related to taking care of animal health of the animal. We find that the function of the two disciplines are quite different. There should not be any conflict between the Veterinary Doctor’s and the graduates of the Animal Husbandry. Therefore we find the protest made by BVA is undesirable as their activities are directed at creating a monopoly in the field of education on Animal Health & Animal Production. As such, we hold that issuance of the impugned onder by the UGC at the influence of the BVA in suspending it’s own decision is not accordance with law.
পরবর্তীতে BVA এফিলেটেড ডিভিশনে আপিল করলে মামলাটিতে মহামান্য হাইকোর্ট এর সিদ্ধান্তকে সঠিক বিবেচনা করে খারিজ করে দেন। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ডিগ্রীটিকে বিলুপ্তি ঘোষণার মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশনা লঙ্ঘিত হয়েছে। প্রশাসন চাইলে নতুন ডিগ্রী খুলতে পারে কিন্তু Existing Animal Husbandry ডিগ্রী বন্ধ করা কোন গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ বলে আমরা মনে করি।
হাঁটি হাঁটি পা পা করে বর্তমানে গোল্ট্রী সেক্টর এমন একটি শিলে কপান্তর হয়েছে যার পিছনে এনিমেল হাজবেন্দ্বী গ্রাজুয়েটগণের অক্লান্ত শ্রম ও মেধার সমন্বয় রয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, বর্তমান পোস্ট্রী সেক্টরের যে উন্নয়ন হচ্ছে তা এনিমেল হাজবেন্ট্রী ডিগ্রী বাতিল করার জন্য গভীর সংকটে পড়তে পারে।
পৃথিবীর ইতিহাসে নতুন নতুন ডিগ্রী খোলার অসংখ্য নজির আছে। কারণ জন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিনিয়ত নিকশিত হচ্ছে এবং এর প্রতিফলন শিক্ষা ব্যবস্থায় নতুন ডিগ্রী সংযোজনের মাধ্যমে ঘটে। কিন্তু একটি বিদ্যমান ডিগ্রী বিলুপ্ত করার ঘটনা অত্যন্ত বিরল এবং তা সাধারণত বাষ্ট্রের শিক্ষা সম্প্রসারণ নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাই পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) এনিমেল হাজবেন্দ্রী ও ভেটেরিনারি সায়েন্স অনুষদ থেকে এনিম্যাল হাজবেস্ট্রী ডিগ্রি বিলুপ্ত করার উদ্যোগ কেবল আদালতের রায়ের অবমাননাই নয়, বরং দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার অগ্রযাত্রায় এক আত্মঘাতী পদক্ষেপ। উত্তল্লখযোগ্য বিষয় হলো পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) অর্ডিন্যান্সে এনিম্যাল হাজবেন্দ্রী ডিগ্রি প্রদান স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এবং এই অর্ডিন্যান্স জাতীয় সংসদে পাসকৃত আইন। এই আইনি কাঠাম্যে পাশ কাটিয়ে একতরফা কোনো প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া কেবল অযৌক্তিক নয়, এটি শিক্ষা শৃঙ্খলা ও শিক্ষানীতির পরিপন্থী। এমতাবস্থায়, আমরা পবিপ্রবি প্রশাসনকে আহবান জানাই এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার জন্য এবং স্বতন্ত্র এনিম্যাল হাজবেন্ড্রী ডিগ্রী অব্যাহত রাখবার জন্য। অন্যথায় আমরা আবার ও বিজ আদালতের শরণাপন্ন হতে বাধ্য হবো।
আজ যখন বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ খাত বিশ্বের সাথে প্রতিযোগিতা করছে, তখন এই ডিগ্রী বাতিলের মতো অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত শিক্ষা, গবেষণা ও শিল্পক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ
আমরা মনে করি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় বর্তমানে এক ডিগ্রি। বি এস সি ভেট সায়েন্স এএএ) কেন্দ্রিক যে পরিকল্পনা করছে য়া হবে এই সেক্টরের জন্য হবে আত্মঘাতী। যা আমাদের এই খাতকে আমদানি নির্ভর করে ভুলবে। অথচ বিএসসি এএইচ গ্রাজুয়েটদের উপজেলা পর্যায়ে কার্যকরভাবে কাজে নিয়োজিত করতে পারলে আমরা অতিদ্রুত এই সেক্টরে স্বনির্ভর হতে পারবো এবং এটি হবে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানিমুখী খাত।
সাংবাদিক ভাইয়েরা,
পেশাগত স্বতন্ত্রতা এবং কার্যকরীতা নিশ্চিতকলে অতিদ্রুত প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কে ভেংগে এনিমেল হাজবেন্ট্রী ও সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, এবং প্রাণি স্বাস্থ্য সেবা অধিদপ্তর নামে পৃথক দুটি অধিদপ্তর তৈরি করা সময়ের দাবি। পেশাগত জন্যবদিহিতা এবং মর্যাদা নিশ্চিত করার জন্য বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো।
বাংলাদেশে এনিমেল হাজবেন্ড্রী কাউন্সিল গঠন করার কোন বিকল্প নেই। এই উদ্যোগসমূহ সফল করার জন্য বিভিন্ন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএসসি এএইচ ডিগ্রি চালু করা প্রয়োজন। আমরা যদি সত্যিকার আসই স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মানে প্রাণিসম্পদ খাতকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে চাই তাহলে এই বিষয়গুলো অতিদ্রুত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।
আমরা সাংবাদিক সমাজকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই, যারা জাতির দর্পণ হয়ে সব সময় সত্য প্রকাশে। অবিচল। আশা করি, আপনারা এনিমেল হাজবেন্দ্রী শিক্ষার পেশাগত স্বতন্ত্রভা ও ভবিষ্যৎ টিকে থাকার বিষয়ে ইতিবাচক ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নিবেন (বাংলাদেশে পশুপালনের উন্নয়নের জন্য আমরা আমাদের ৫টি প্রস্তাব বাংলাদেশের জনগণের সামনে উপস্থাপন করতে চাই।
১। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পশুপালন ডিগ্রি কার্যক্রম বন্ধের আদেশ প্রত্যাহার করা উচিত।
২। চাকরির জন্য কমবাইন্ড ডিগ্রী অগ্রাধিকার সংক্রান্ত বিবৃতি প্রত্যাহার করা উচিত।
৩। বাংলাদেশে পশু সম্পদ উন্নয়নের জন্য শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময় যে গবেষণা হয়েছিল, সেই গবেষনা অনুযায়ী DLS কে Bifurcate করা উচিত।
GOVERNMENT OF THE PEOPLE’S REPUBLIC OF BANGLADESH CABINET SECRETARIAT ESTABLISHMENT DIVISION O&M WING
REPORT OF THE O&M WING ON THE BIFURCATION OF THE DIRECTORATE OF LIVESTOCK SERVICES
PREPARED BY: BAZLUR RAHMAN, Assignment Otticer, February, 1980, File N
ED-OM (Co-ord)-105/79
৪। মন্ত্রণালয়ের উচিত Animal Husbandry Council কে সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়ন করা।
৫। এন্ট্রি লেভেলে পশুপালনের জন্য একটি নতুন পদ তৈরি করা।







