বাকৃবিতে স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের জন্য ১৫ দিনব্যাপী ‘শর্ট ট্রেনিং কোর্স অন সীড টেকনোলজি’ শুরু

​বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) প্রফেসর গোলাম আলী ফকির সীড প্যাথলজি সেন্টারে স্নাতকোত্তর ছাত্র -ছাত্রীদের জন্য ১৫ দিনব্যাপী এক বিশেষ প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ০৫ জুলাই ২০২৬, রবিবার সকাল ১০:০০ ঘটিকায় সীড প্যাথলজি সেন্টারে আয়োজিত ‘Short Training Course on Seed Technology’ শীর্ষক উক্ত প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি অনুষদের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মাসুম আহমাদ,ইস্পাহানি এগ্রো লিমিটেড ঢাকা কনসালটেন্ট প্রফেসর ড. মো: আইয়ুব আলী এবং ট্রেজারার (দায়িত্বপ্রাপ্ত )প্রফেসর ড. হুমায়ুন কবির এবং প্রশিক্ষণ কোর্সের মূল লক্ষ্য-উদ্দেশ্য তুলে ধরেন কোর্স কো-অর্ডিনেটর ড. মোঃ মাহমুদুল হাসান চৌধুরী।

​ উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের প্রধান ও প্রফেসর গোলাম আলী ফকির সীড প্যাথলজি সেন্টারের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. ইসলাম হামিম এর সভাপতিত্বে এবং সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. পূর্ণিমা দে’র সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তা হিসেবে প্রশিক্ষণ সম্পর্কে ধারণা প্রদান করেন কোর্স কো-অর্ডিনেটর ড. মো: মাহমুদুল হাসান চৌধুরী। এছাড়াও বক্তব্য প্রদান করেন সহযোগী প্রফেসর ড. ফারজানা হক টুম্পা। সভাপতির বক্তব্যে প্রফেসর ড. ইসলাম হামিম প্রশিক্ষণার্থীদের বীজ প্রযুক্তির আধুনিক জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে দেশের টেকসই কৃষি উন্নয়নে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন “প্রশিক্ষণের যে বিষয়বস্তু, এটা কৃষি স্নাতকদের জন্য অনেক অনেক গুরুত্বপূর্ণ এতে কোনো সন্দেহ নেই”। তিনি বলেন যে কয়েক যুগ আগেও কৃষি ক্ষেত্রে বীজের উৎস আমাদের দেশের খামারিদের হাতে থাকলেও দুঃখজনকভাবে বর্তমানে এটা বিভিন্ন বীজ কোম্পানির হাতে চলে গেছে। আমাদের কৃষিবিজ্ঞানীদের এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে বিভিন্ন ফসল, ফলমূল এবং শাকসবজির দেশীয় জাত যেগুলোর মধ্যে ভিন্নতা বা বৈচিত্র্য আছে সেইগুলোকে আরও উৎপাদনশীল করতে হবে। গুণগত মানসম্পন্ন দেশীয় বীজের ঐতিহ্য বজায় রাখতে হবে। তিনি প্রশিক্ষনার্থীদেরকে মনোযোগের সাথে এই প্রশিক্ষণ সম্পন্নের পরামর্শ প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, ১৫ দিনব্যাপী অনুষ্ঠিতব্য এই প্রশিক্ষণ কোর্সটিতে কৃষি অনুষদের স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ২৫জন ছাত্র-ছাত্রী অংশ গ্রহণ করেছে।