| মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির জন্য দেশে বর্তমানে ১ কোটিরও বেশি পশু মজুদ রয়েছে। দেশের চাহিদা মেটাতে কোনো পশু আমদানির প্রয়োজন নেই এবং চোরাই পথে যাতে কোনো পশু দেশে প্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য সরকার কঠোর উদ্যোগ নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে সাভারে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, কোরবানি উপলক্ষে দেশে পর্যাপ্ত পশুর সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। গবাদিপশু আমদানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর। এছাড়া কোরবানির পশুর চামড়া নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে ইতোমধ্যে কয়েক দফা বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে এবং চামড়ার যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, কৃষি ও কৃষকের সামগ্রিক উন্নয়ন মানেই দেশের উন্নয়ন। বর্তমান সরকার কৃষিবান্ধব নীতি গ্রহণ করেছে, যার আওতায় কৃষকদের ঋণ মওকুফ এবং বিশেষ কার্ড প্রণয়নের মাধ্যমে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। বিএলআরআই-এর বিভিন্ন প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা এবং অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ডের ওপর নজর রাখা হচ্ছে এবং যেকোনো ধরনের অব্যবস্থাপনা বা অনিয়মের বিষয়ে পরবর্তী সময়ে তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। কৃষকদের উন্নয়নে এই প্রতিষ্ঠানের গবেষণালব্ধ ফলাফল যেন মাঠ পর্যায়ে পৌঁছায়, সে বিষয়ে তিনি গুরুত্বারোপ করেন। পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বিএলআরআই প্রাঙ্গণে একটি নিম গাছের চারা রোপণ করেন এবং প্রতিষ্ঠানের প্রকল্পগুলো ঘুরে দেখেন। পরবর্তীতে তিনি সেখানে আয়োজিত একটি বিশেষ সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন। এর আগে সকালে মন্ত্রী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্তকরণের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু করেন। |







