| দেশের পোলট্রি খাত ইতিমধ্যেই নানা চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে—একদিকে ডলারের অস্থিরতা, অন্যদিকে কাঁচামালের আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি। এর মধ্যেই নতুন করে বাড়তে শুরু করেছে পোলট্রি ফিডের উৎপাদন খরচ। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিপ্রতি ৭–৮ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে ফিড উৎপাদনের ব্যয়, যা ক্ষুদ্র ও মাঝারি ফিড মিল মালিকদের জন্য নতুন সংকট তৈরি করেছে।
আমদানিকারকরা কাঁচামালের দাম বাড়ানোয় এই ব্যয় বৃদ্ধি ঘটেছে বলে জানিয়েছেন ফিড মিল মালিকরা। সূত্রে জানা যায়, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম স্থিতিশীল থাকলেও দেশের বাজারে ফিড উৎপাদনের মূল কাঁচামালের দাম আমদানিকারকরা কেজিপ্রতি প্রায় ২৬ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছেন। এর ফলে হঠাৎ বেড়ে গেছে উৎপাদন খরচ, যা সরাসরি প্রভাব ফেলছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ফিড মিলগুলোর ওপর। বর্তমানে বাজারে লেয়ার ফিড কেজিপ্রতি ৫৫–৫৮ টাকা এবং ব্রয়লার ফিড ৬৫–৬৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মিল মালিকদের আশঙ্কা, দ্রুত কাঁচামালের দাম না কমলে ফিডের দাম আরও বাড়তে পারে, যা ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের বাজারে মূল্যবৃদ্ধির চাপ সৃষ্টি করবে। উৎপাদনকারীদের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, গত সপ্তাহেও সয়াবিন মিলের দাম ছিল কেজিপ্রতি ৫২–৫৩ টাকা, যা এখন বেড়ে ৭৮–৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ আন্তর্জাতিক বাজারে সয়াবিন মিলের দামে কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি। অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজারে কাঁচামালের অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি রোধে এখনই কঠোর তদারকি বাড়ানো জরুরি। তা না হলে ফিড, মুরগি ও ডিমের বাজারে অস্থিতিশীলতা তৈরি হতে পারে, যার প্রভাব পড়বে সার্বিক খাদ্যব্যবস্থায়। |







