শায়েস্তাগঞ্জে সেইফ ফিডের নতুন ডিপো উদ্বোধন

আজ ৮ জুন ২০২৬ গ্রাহক, ডিলার ও খামারিদের আরও উন্নত এবং দ্রুত সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এবং খামারির আস্থা, মানসম্মত পুষ্টির প্রতিশ্রুতি স্লোগানকে সামনে রেখে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে সেইফ ফিডের নতুন ডিপো আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ মিজানুর রহমান, জিএম (সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং), সেইফ ফিড, আর বি এগ্রো লিমিটেড। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. বোরহান উদ্দিন, আরএসএম, হবিগঞ্জ রিজিয়ন। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য কর্মকর্তা, ডিপো ইনচার্জ, ডিলারবৃন্দ, ব্যবসায়ী ও খামারিরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিবিদ মিজানুর রহমান বলেন, “দেশের প্রাণিসম্পদ খাতের টেকসই উন্নয়নের জন্য মানসম্পন্ন ও নিরাপদ পশু খাদ্য নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেইফ ফিড শুরু থেকেই খামারিদের আস্থা অর্জনের লক্ষ্যে গুণগতমানসম্পন্ন ফিড উৎপাদন ও সরবরাহ করে আসছে। আজ শায়েস্তাগঞ্জে নতুন ডিপো উদ্বোধনের মাধ্যমে আমরা হবিগঞ্জ ও পার্শ্ববর্তী এলাকার খামারিদের আরও দ্রুত, সহজ ও নিরবচ্ছিন্ন সেবা দিতে সক্ষম হব।”

তিনি আরও বলেন, “খামারিদের সফলতাই আমাদের সফলতা। তাই পণ্যের গুণগতমান বজায় রাখার পাশাপাশি সময়মতো সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমরা দেশব্যাপী আমাদের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করছি। নতুন এই ডিপো স্থানীয় ডিলার ও ব্যবসায়ীদের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে এবং প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”

অন্যান্য বক্তারা বলেন, নতুন এই ডিপোর মাধ্যমে হবিগঞ্জ ও আশপাশের এলাকার খামারি, ডিলার এবং ব্যবসায়ীরা আরও সহজে ও দ্রুত মানসম্পন্ন ফিড সরবরাহ সুবিধা পাবেন। এর ফলে পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী ও কার্যকর হবে, যা স্থানীয় প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি গ্রাহকদের চাহিদা পূরণে প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতাও বৃদ্ধি পাবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ডিলার ও খামারিরা নতুন ডিপো স্থাপনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এতে ফিড সংগ্রহ ও সরবরাহ প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে এবং সময় ও পরিবহন ব্যয় কমে আসবে। অনুষ্ঠানের সমাপ্তিতে খামারি, ডিলার ও ব্যবসায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সেইফ ফিডের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন এই ডিপো উদ্বোধনের মাধ্যমে সেইফ ফিডের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে এবং দেশের প্রাণিসম্পদ খাতের টেকসই উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটি আরও কার্যকর অবদান রাখতে সক্ষম হবে।