| ময়মনসিংহে ‘ডক্টরস পেট কেয়ার’-এর চিকিৎসক ডা. আফিফুর রহমান এবং ‘ভেট এন্ড পেট কেয়ার এনিম্যালস’-এর চিকিৎসক ডা. আব্দুল হানান-এর ক্লিনিকে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ স্মল অ্যানিমাল ভেটেরিনারি অ্যাসোসিয়েশন (BASAVA)। সংগঠনটির সভাপতি ডা. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. কে.এইচ.এম. নাজমুল হুসাইন নাজির স্বাক্ষরিত এক প্রতিবাদ ও নিন্দা বিবৃতিতে এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, প্রাণিস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী ভেটেরিনারি চিকিৎসকদের কর্মস্থল তথা ক্লিনিকে এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও উদ্বেগজনক। চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী কোনো প্রতিষ্ঠানে হামলা শুধু সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক বা কর্মীদের নিরাপত্তাকেই হুমকির মুখে ফেলে না, বরং এটি একটি নিরাপদ ও স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা পরিবেশের ওপরও সরাসরি আঘাত। BASAVA মনে করে, চিকিৎসক ও চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় কোনো ধরনের ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। সংগঠনটি বলেছে, হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করতে ক্লিনিকের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে প্রত্যেক হামলাকারীকে দ্রুত শনাক্ত ও ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে প্রচলিত আইনে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ চিকিৎসক বা কোনো চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাসী হামলার সাহস না পায়। বিবৃতিতে আক্রান্ত চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, তাদের ক্ষয়ক্ষতির যথাযথ মূল্যায়ন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। BASAVA’র পক্ষ থেকে বলা হয়, সংগঠনটি এ সংকটময় সময়ে ডা. আফিফুর রহমান ও ডা. আব্দুল হানান-এর পাশে রয়েছে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের প্রতি দ্রুত তদন্ত, সুষ্ঠু বিচার এবং যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়, চিকিৎসক ও চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানে হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়; চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, হামলাকারীদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করতে হবে এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলা বন্ধে সাম্প্রতিক সময়েও বিভিন্ন চিকিৎসক সংগঠন নিরাপত্তা জোরদার ও হামলাকারীদের দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়ে আসছে। |







